এয়ার বাবল চালু না হওয়ায় বিপাকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক :বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক বিমান (এয়ার বাবল) চলাচল শুরু না হওয়ায় উচ্চ শিক্ষার জন্য ভিসার আবেদন করতে পারছেন না শিক্ষার্থীরা।

ইউরোপের বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর পড়াশোনার জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নয়াদিল্লী যেয়ে ভিসার আবেদন করতে হয়। কারণ এস্তোনিয়া, বেলজিয়াম, লাটভিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের ঢাকায় ভিসা কনস্যুলার সেবা নেই।
বিদেশে উচ্চ শিক্ষায় আগ্রহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইসলাম হোসেন বলেন, ‘বেলজিয়ামসহ কয়েকটি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন করতে চাই। কিন্তু এসব দেশের কনস্যুলার নয়াদিল্লীতে। কিন্তু এয়ার বাবুল চালু না হওয়ায় সেখানে যেতে পারছিনা।’ একই কথা বলেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্রণব চক্রবর্ত্তীসহ অনেকে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক তৌহিদুল হক বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে ভারতের সাথে এয়ার বাবল চালু করা প্রয়োজন। বিশেষভাবে রক্ষণশীল বলে পরিচিত জাপানও এয়ার বাবল কার্যকর করেছে। বিমান ভ্রমণের বিষয়গুলো উভয় দেশর জন্য উপকারী। শিক্ষার্থী এবং যারা চিকিৎসা নিতে চান, তাদের বিমান ভ্রমণের বিকল্প থাকা উচিত।’
ভারতের পররাষ্ট্র সচি হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা আগস্টে বাংলাদেশ সফরের সময় শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার অনুমতি দিতে দুই দেশের মধ্যে এয়ার বাবল স্থাপনের প্রস্তাব করেছিলেন। বাংলাদেশ সরকার প্রথমে এই পদক্ষেপ স্বাগত জানিয়েছিল।
বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান জানান, এয়ার বাবল চুক্তি ভারত বিভিন্ন দেশের সঙ্গে করেছে। এবিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাবনা দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
উড়োজাহাজ উড্ডয়নের আগে ও অবতরণের পরে কঠোরভাবে করোনাভাইরাস পরীক্ষার কারণে অনেক দেশ একই রকম ব্যবস্থা নিয়েছে। ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভারত এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, মালদ্বীপ, কানায়া, জার্মানি, জাপানসহ ১৫টিরও বেশি দেশের সাথে এয়ার বাবল কার্যকর করেছে।