বর্জ্য অপসারণে ৯টি মনিটরিং কমিটি, কাজ করবে ১২’শ শ্রমিক

সিলেট মহানগরীর ২৭টি ওয়ার্ডের ৩০টি স্থানে এবার কোরবানির পশু জবাই করা হবে। জবাইকৃত পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হবে ২৪ ঘন্টার মধ্যে। এর জন্য ১২’শ পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োজিত থাকবেন। করোনা পরিস্থিতিতে যাতে সংক্রমণ না বাড়ে সেদিকে খেয়াল রাখে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তা পরিস্কার করা হবে। এছাড়াও দুর্গন্ধ দূর করতে জীবানুনাশক স্প্রে করা হবে।

আজ রাতে এসব তথ্য জানিয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা হানিফুর রহমান।

তিনি বলেন, এবার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি বাস্তবায়নে কাজ করবে ৯টি মনিটরিং কমিটি। নগরীকে ৩টি অঞ্চলে ভাগ করে মনিটরিং সেলের ৯টি টিমের জন্য ৩টি আলাদা আলাদা ভাগে কাজ করবে। একটি কমিটি আবর্জনার স্থানগুলো খুঁজে বের করবে। একটি কমিটি নির্ধারিত স্থানগুলো থেকে আবর্জনা অপসারণের কাজ করবে আবার একটি কমিটি সার্বিক মনিটরিং করবে। বর্জ্য অপসারণ কাজে প্রায় শতাধিক পরিবহণ ব্যবহার করা হবে।

কোরবানির জন্য সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত স্থান সমূহ হলো- ১ নম্বর ওয়ার্ডে ৩০ অর্ণব, মীরের ময়দান, ২ নম্বর ওয়ার্ডের নির্ধারিত স্থান-প্রহরী আ/এ পুরাতন মেডিকেল কলোনী, ৩, ১২, ১৭, ১৯, ২৪, ২৫, ২৬ ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিললের বাসা সংলগ্ন স্থান এবং ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের বাসা সংলগ্ন স্থান ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় মাঠে কোরবানীর পশু জবাইয়ের ব্যবস্থা করা হবে। ৫, ৬, ৭, ৮, ১১ ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে পশু কোরবানীর স্থান নির্ধারন করা হয়েছে ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে। ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জন্য নিধৃারিত স্থান- আম্বরখানা কলোনী মাঠ, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কোরবানী দাতারা পশু কোরবানী দিবেন এতিম স্কুল রোডের জবাই খানায়, ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ঘাসিটুলা কলাপাড়া ওয়ার্কশপের মাঠ ও নবাব রোড পিডিবি কোয়াটার, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাজীরবাজার মাদ্রাসার মাঠ, ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের শাহজালালা জামেয়া স্কুল এন্ড কলেজ মাঠ, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সওদাগরটুলা মাঠ, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বাসার সামনের মাঠ- কুমারপাড়া, ২০ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দ হাতিম আলী (রা) উচ্চবিদ্যালয় মাঠ, ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দ হাতিম (রা) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ, ২২ নম্বর ওয়ার্ডের ব্লক-এ, রোড ২৭, শাহজালাল উপশহর ও ব্লক-ই, খেলার মাঠ শাহজালাল উপশহর-এ ইদের পশু কোরবানীর জন্য স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।