রায়হানের লাশ ওসমানী হাসপাতাল মর্গে

বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে ‘নির্যাতনে’র নিহত নগরীর আখালিয়া এলাকার রায়হান আহমদের (৩৪) মরদেহ পুনরায় ময়না তদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ মর্গে নেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে ওসমানী হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয়।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কবর থেকে লাশ উত্তোলন কাজ শুরু করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিসবাউর রহমানের নেতৃত্বে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) একটি তদন্ত টিম উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে পুণরায় ময়না তদন্তের জন্য রায়হানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কতোয়ালি থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল বাতেন। তার আবেদনের প্রেক্ষিতেই রায়হান আহমদের মরদেহ কবর থেকে তোলার অনুমতি দেন জেলা প্রশাসক।

পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে বর্তমানে এই মামলাটির তদন্ত করেছে পিবিআই। মঙ্গলবার রাতেই এই মামলার নথি পিবিআই’র কাছে হস্তান্তর করে এসএমপি। পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে গতকাল বুধবার আদালত রায়হানের পুন:ময়না তদন্তের জন্য কবর থেকে লাশ তোলার নির্দেশ দেন ।

প্রসঙ্গত: গত রোববার পুলিশ জানায় রায়হান উদ্দিন আহমদ সিলেট নগরীর কাষ্টঘর এলাকায় ছিনতাই করতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন । পরে তাকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বলে জানানো হয়। কিন্তু রায়হানের শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। তার হাতের নখও উপড়ানো ছিল। এ ঘটনার পর পুলিশের বিরুদ্ধে পরিবারের অভিযোগ ওঠে রায়হান পুলিশের নির্যাতনে মারা যায়।

এই ঘটনায় বন্দর বাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ ৪জনকে সামিয়িক বরখাস্ত ও ৩ জনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে ।